বিগ ব্যাঙ!!!!

​অনিমেষ ঘোষ অয়ন
কোলাব্যাং। অনেক জায়গায় একে সোনাব্যাং নামেও মানুষ ডাকে। একে ইংরেজীতে ডাকা হয় Indian Bullfrog নামে আর এর বৈজ্ঞানিক নাম হল Hoplobatrachus tigerinus। ছেলে কোলাব্যাংগুলো দৈর্ঘ্যে (SVL)​  ৬৫-৮০ মিমি এবং মেয়ে কোলাব্যাংগুলো দৈর্ঘ্যে (SVL)​  ৭৫-১২০ মিমি পর্যন্ত হয়ে থাকে।এরা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যাং। ব্যক্তিগতভাবে আমার দেখা সবচেয়ে বড় কোলাব্যাঙের দৈর্ঘ্য ছিল – ৮৫ মিমি ।

ছবিঃ কোলা ব্যাঙ কৃতজ্ঞতাঃ অনিমেষ ঘোষ অয়ন, সভাপতি- গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি।
ছবিঃ কোলা ব্যাঙ
কৃতজ্ঞতাঃ অনিমেষ ঘোষ অয়ন, সভাপতি- গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি।

এদের বিশালত্বের কারনে এবং দেহ কিছুটা পিচ্ছিল হওয়ায় এদের খালি হাতে ধরা অনেক কষ্টকর। তবে এ ক্ষেত্রে বন্ধুবর জয়ের কথা না বললেই নয়। ও আবার এই জাতীয় ব্যাং খালি হাতে ধরায় বেশ সিদ্ধ।এরা সাধারণত জল্পাই সবুজ অথবা জলপাই বর্ণের হয়ে থাকে।  প্রজনন ঋতুতে পুরুষ ব্যাঙের দেহের রঙ হলুদাভ সবুজ হয়ে পরে এবং গলার ভোকাল স্যাক দ্বারা শব্দ সৃষ্টির মাধ্যমে মেয়ে কোলাব্যাঙকে মিলনে আহবান জানায়। এদের পিঠ বরাবর একটি দাগ দেখা যায়। এদের প্রজনন সময় মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত। এরা একবারে ৩৫০০-১২৫০০ ডিম ছাড়ে।

এদেরকে সাধারণত ডোবা-নরদমা, পুকুর, খাল, কৃষিজমি ইত্যাদি জায়গায় দেখা যায়। বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গাতেই এদের দেখা যায়। তবে বাংলাদেশের চা বাগান এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় এদেরকে প্রকাশ্যে মেরে খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয় – যা কিনা ভবিষ্যতে এদের সংখ্যা আশংকাজনকহারে কমিয়ে দিতে পারে।
লেখকঃ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সভাপতি- গ্রিন এক্সপ্লোর সোসাইটি।

আরো দেখান

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button

Discover more from EnvironmentMove.earth

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading